A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php74/ci_sessionf0ff20076d91edf10463265aec1a530a5f78af0f): failed to open stream: Disk quota exceeded

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 172

Backtrace:

File: /home/bdvoice/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/bdvoice/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php74)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/bdvoice/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/bdvoice/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে সক্রিয় ছিলেন মুহিত

মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে সক্রিয় ছিলেন মুহিত

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

বাংলাদেশের সাবেক এই অর্থমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছিলেন। ওই সময় রণাঙ্গনে লড়াইয়ের পাশাপাশি বহির্বিশ্বে বাঙালির স্বাধীনতার পক্ষে জনমত ও কূটনৈতিক সমর্থন আদায় যারা করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মুহিত। দেশের অগ্রযাত্রায় শুরু থেকেই ছিল তার অসামান্য অবদান।

জানা যায়, ১৯৫৬ ব্যাচের সিএসপি কর্মকর্তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পাকিস্তান দূতাবাসে ইকোনমিক কাউন্সিলরের দায়িত্বে ছিলেন মুহিত। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ১৯৭১ সালের ৩০ জুন পাকিস্তান সরকারের পক্ষ ত্যাগ করেন মুহিত। এরপর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরি ও সমর্থন আদায়ে নেমে পড়েন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করে সমর্থন আদায় করতে থাকেন।

ওই সময়ের ভূমিকার জন্য গর্ববোধের কথা বিভিন্ন সময় বলেছেন মুহিত। তিনি বলে গেছেন, সেই ভূমিকা রাখতে পারা তার জন্য সৌভাগ্যের ছিল।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ১৯৩৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা সৈয়দা শাহার বানু চৌধুরী ও বাবা আবু আহমদ আবদুল হাফিজ। মা-বাবা দুইজনই তৎকালীন সিলেট জেলার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৪ ভাইবোনের মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তার ছোট ভাই।

১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স করার পর অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডে উচ্চশিক্ষা নেন মুহিত। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান এবং পরে স্বাধীন বাংলাদেশে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালে পরিকল্পনা সচিবের দায়িত্ব নেন তিনি। ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব হন মুহিত। ১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়ে ‘অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে’ কাজ শুরু করেন ফোর্ড ফাউন্ডেশন ও আইএফএডি-তে।

১৯৮২-৮৩ সালে তখনকার এইচ এম এরশাদ সরকারের সময়ে প্রথমবারের মতো অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন মুহিত। দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে কাজ করার পর দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি পান অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তার কাঁধেই রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোট ১২ বার ও টানা ১০ বার বাংলাদেশের বাজেট ঘোষণা করার রেকর্ড গড়েন মুহিত।

মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ইতিহাস, জনপ্রশাসন এবং রাজনীতি নিয়ে ৩০টির অধিক বই লিখেছেন মুহিত। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মুহিতকে ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে সরকার।

পাঠকের মন্তব্য