A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php74/ci_sessionbdfe4f894d08a8657d72d4abf3ef90af2db24a51): failed to open stream: Disk quota exceeded

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 172

Backtrace:

File: /home/bdvoice/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/bdvoice/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php74)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/bdvoice/public_html/application/controllers/SS_shilpi.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/bdvoice/public_html/index.php
Line: 316
Function: require_once

চার বছর মর্গে থাকার পর সৎকার হলো মার্কিন নাগরিকের মরদেহ!

চার বছর মর্গে থাকার পর সৎকার হলো মার্কিন নাগরিকের মরদেহ!

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রবার্ট মাইরন বার্কারের (৭৮) মরদেহ চার বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পড়ে ছিল। রবার্ট যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ায় তার বাংলাদেশি স্ত্রী মাজেদা বেগম স্বামীর মরদেহ সৎকারের অনুমতি পাননি। 

মার্কিন দূতাবাসে যোগাযোগ করেও স্বামীর মরদেহ সৎকার করতে পারছিলেন না তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রবার্টের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। অবশেষে রবার্টের মরদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করেছে মার্কিন দূতাবাস। 

আজ শুক্রবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে রবার্টের মরদেহ হস্তান্তর করে দক্ষিণখান থানা পুলিশ।

দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রবার্টের পরিবার তার মরদেহ নিতে রাজি হয়নি। তাই দূতাবাস বাংলাদেশেই তার মরদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করেছে।

রবার্টের বাংলাদেশি স্ত্রী মাজেদা বেগম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল খ্রিষ্টধর্মমতে রাজধানী বাড্ডার একটি চার্চে তারা বিয়ে করেন। এরপর মাজেদা খাতুন তার আগের সংসারের সন্তানদের সঙ্গে রবার্টকে নিয়ে দক্ষিণখানের একটি বাসায় থাকতেন। ২০১৮ সালের ১৫ মে রবার্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হলে দক্ষিণখানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

রবার্টের মৃত্যুর পর মাজেদা খাতুন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, বিদেশি নাগরিক হওয়ায় তার মরদেহ এই দেশে সৎকার করা যাচ্ছিল না। এ জন্য দূতাবাসের ছাড়পত্র প্রয়োজন, যেটা পাওয়া যাচ্ছিল না। তিনি অনেকবার দূতাবাসে গিয়ে সব ঘটনা বলেছেন। তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

পাঠকের মন্তব্য