ওজন কমাতে স্ন্যাক্স খাওয়ার সময় যে ভুলগুলো করবেন না

ওজন কমানো একটি কঠিন কাজ। কিন্তু এর জন্য যা দরকার তা হল সচেতনতা। ডায়েট এবং  ওয়ার্কআউট কেবল ওজন কমানোর লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করলেও স্ন্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি কৌশল জেনে রাখা ভাল।

ওজন কমানোর চেষ্টা করার সময় বেশিরভাগ মানুষ স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস বেছে নেয়, যা একটি ভাল জিনিস। তবে তা অতিরিক্তভাবে করছেন কি না খেয়াল রাখুন, যেকোনও জিনিসের অতিরিক্ত খাওয়া, সালাদ বা পুষ্টিকর বাদাম বেশি খেলে ক্ষতিকারক হতে পারে।  
  
জাঙ্ক ফুড এর থেকে চোখ সরাতে হবে। উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। স্ন্যাক্সের বিকল্প কিছু খান যা স্বাস্থ্যকর এবং সন্তোষজনক।    
  
খিদে না পেলেও খাবার খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে যাদের- ওজন কমাতে গেলে এই অভ্যাস বর্জন করুন। আত্মতৃপ্তির কারণে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খাবেন না এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 
  
ওজন কমানোর চেষ্টা করলে সবার সঙ্গে ভাগ করে স্ন্যাক্সস খান তাতে ওজন কমার সম্ভাবনা থাকে। 
  
আপনি যখন ওজন কমানোর চেষ্টায় রয়েছেন, সেই সময় যে কোনও রকমের স্ন্যাক্স খাওয়ার আগে সতর্ক থাকুন। তেলে ভাজা বা চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এমনকি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়া, পেট অতিরিক্ত খেয়ে ভর্তি না করে বরং পেটের কিছুটা অংশ খালি রাখা ভালো। ধর্মীয় দৃষ্টিতেও এর সমর্থন পাওয়া যায় এবং তা বিজ্ঞান ভিত্তিকও। পেটের একাংশ পূর্ণ হবে খাদ্যে, একাংশ পূর্ণ হবে পানিতে এবং একাংশ থাকবে খালি। নিয়মিত খাবার এবং শারীরিক পরিশ্রম, এ দুইয়ের সামঞ্জস্য থাকা খুবই জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সুষম খাদ্য গ্রহণ করা ভালো যাতে পরিমাণ মতো কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং কম চর্বি থাকে। অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা শ্রেয়। ফলমূল, শাকসবজি বেশি বেশি খাওয়া ভালো, তাতে চর্বি ও শর্করামুক্ত খাবার কম খাওয়া হবে এবং প্রোটিনের চাহিদাও মিটবে। খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যেন থাকে।

এছাড়াও খাওয়ার আগে শসা, টমেটো, পেয়ারা খেয়ে নিলেও ভাতের পরিমাণ কম লাগবে।  ওজন কমাতে রীতিমতো শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম করতেই হবে। যে ধরনের ব্যায়াম একজন মানুষের জন্য সহজ এবং সহ্য ক্ষমতার মধ্যে, ততটুকু করলেও চলবে। নিয়মিত হাঁটাচলা, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, অল্প দূরত্বে গাড়ি বা রিকশা পরিহার করে হেঁটে চলার অভ্যাস করতে হবে। এগুলো শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পাঠকের মন্তব্য