যেসব খাবার বাদ দিলে চুল পড়া কমাতে পারে

বর্তমান সময়ে চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এমন হচ্ছে যে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন এবং ওষুধও খাচ্ছেন চুল পড়া কমাতে। তবে কিছুতেই চুল পড়া কমছে না। এছাড়া, খুশকিসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। চুলের পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখলে চুল যেমন পড়ে যায়, তেমনই সঠিক ডায়েট মেনে না চললেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়। পোশাক ও সাজসজ্জার মতোই চুলেরও নিতে হবে বাড়তি যত্ন। 

চুল পড়া বংশগত কারণ হতে পারে। এ ছাড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, পুষ্টির অভাব, ভিটামিনের ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা, মেয়েদের সন্তান জন্মদান, অ্যানিমিয়া, মাথার তালুর রিং ওয়ার্ম এবং অনেক দিনের মানসিক দুশ্চিন্তার জন্য চুল পড়ে যেতে পারে।

চুলের যত্ন মানে তেল মাখা এবং নামি-দামি শ্যাম্পু-কন্ডিশনার ব্যবহার করাই নয়, খেয়াল রাখতে হবে খাওয়া-দাওয়ার কথাও। ত্বক ভাল রাখতে যেমন শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি প্রয়োজন, তেমনই চুলেরও। 

পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নানা রকম সামগ্রী চুলে ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে। এছাড়া, চুলপড়া কমাতে কিছু খাবারগুলো তালিকা বাদ দিতে হবে।

ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যাতে বেশি পরিমাণে গ্লাইসেমিক রয়েছে, চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এই খাবারগুলো বেশি খেলে হরমোনের গণ্ডগোল হয় এবং তাতে চুল পড়া আরও বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর চিনি। বেশি চিনি খেলে যেমন সহজেই ওজন বেড়ে যায়, তেমনই বয়সের আগে টাক পড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

চুলে মূলত যে প্রোটিন থাকে, সেটা কেরোটিন। বেশি পরিমাণে মদ খেলে প্রোটিনের উপর একটা খারাপ প্রভাব পড়ে। এতে চুলে ঔজ্জ্বল্য কমে যায়।

বাজার চলতি যে কোনও বোতলের ঠান্ডা পানীয় বেশি খেলে চুলের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে। যদি অস্বাভাবিক বেশি চুল পড়ে, তা হলে এক-দু’মাস সোডা জাতীয় কোনও পানীয় না খেয়ে দেখতে পারেন, কোনও পরিবর্তন হচ্ছে কি না।

চপ-শিঙাড়া, এগরোল, চিপ্স, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজের মতো খাবার যারা বেশি খান, তাদের চুলের অবস্থা খুব বেশিদিন ভাল থাকার সম্ভাবনা কম। বেশি তেল, লবণ বা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার যত কম খাবেন, তত চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

পাঠকের মন্তব্য