দাম্মামগামী ফ্লাইটের যাত্রীর থেকে ইয়াবার চালান আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে তল্লাশি করে আনুমানিক ১৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে, ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিমানবন্দরে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মীরা।

আটক যাত্রীর নাম স্বপন মাতব্বর। তিনি বিজি ৪০৪৯ ফ্লাইটে দাম্মাম যাচ্ছিলেন। 

এর আগে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গত সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুরগামী রপ্তানি চালানের একটি কার্টন তল্লাশি করে সেখানকার কাস্টমস কর্মকর্তারা। গার্মেন্টেসের স্যাম্পল হিসেবে পাঠানো ছোট একটি চালানের কার্টন খুলে কার্বন পেপারে মোড়নো বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়।

পরে গণনা শেষে দেখা যায়, ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার সৌদি রিয়েল এবং ২০ হাজার ২শ সিঙ্গাপুরি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ১২ কোটি ৫২ লাখ টাকা। 

সেসময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দের পরিচালক তৌহিদ-উল আহসান সাংবাদিকদের বলেন, সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কার্টন তল্লাশি করা হয়। মূলত এটা তৈরি পোশাকের স্যাম্পল হিসেবে কুরিয়ারে করে পাঠানো হচ্ছিলো। 

এ ঘটনায় হাসান আলী নামে একজনকে গ্রেপ্তার হয়েছে। তিনি হাসান স্টার লাইন এক্সপ্রেস নামে একটি ফ্রেইট ফরোয়ার্ড কোম্পানির কর্মী। তিনি এই কার্টন পাঠাতে এসেছিলেন।  তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

ওই সময় অর্থ ও মাদকসহ যে কোন ধরণের পাচার রোধে বিমানন্দরের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জনবল বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন বিমানবন্দরের এই কর্মকর্তা। তিনি জানান, অত্যাধুনিক আরও দুটি এক্সরে স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন করা হবে কার্গো ভিলেজে। ঐ এলাকায় সিসিটিভির আওতা বাড়ানো হবে।।

উল্লেখ্য কয়েকমাস আগেও শাহজালাল বিমানবন্দরে পোশাকের চালানে বিশেষ এক ধরনের মাদক চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়। সেসময়ও কাস্টমস কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে তা জব্দ করে। এ বিমানবন্দরে সোনা চোরাচালানের বড় অংশ সংঘটিত হয়। অনেক সময় তা ধরাও পড়ে।

পাঠকের মন্তব্য