গোমড়া কেন মুখ?

এই মেয়ে, গোমড়া কেন মুখ?
গাল ফুলিয়ে লাভ কি আছে বলো?
ভাবছো মিছে সব কিছু শেষ হল।
পারোনা তাই হোচট খেয়েই চুপ!
ঠুনকো নাকি জীবন খানি?
ঢেউয়ের জীবন নেইতো পানি।

নাইবা পারো কোন কিছু,
কিচ্ছুটি হয়না তোমায় দিয়ে
জীবন এখন ঘুর্নিঝড়ে-
যায় যেন সব নেয় উড়িয়ে
তবুও জীবন একটাই যে
চলে গেলে আর পাবেনা ফিরে।
ভাবছো কেন একা তুমি?
আছি আমি তোমার পাশে
এবার হাসো একটু করে
পাপড়ি যেমন হাওয়ায় ওড়ে
যেমন ওড়ে প্রজাপতি
মেলে ডানা রঙবাহারে
তেমন তুমি উড়বে এখন
মন প্রাণ উজার করে

কেউনা বাসুক ভাল তোমায়
খুঁজুক তোমার উচু প্রোফাইল
মায়ের বকা, ভাইয়ের ঝারি
বান্ধবীদের যত্ত আড়ি
বেকার তুমি যতই থাকো
ভাল চাকুরী নাই বা করো
তবু আমি তোমারই আছি
নতুন করে প্রেরণা দিব
কারন আমি তোমার ” আমি”।

সোডিয়াম লাইটে একা ভীষন।
চারদিকে সব হাসিখুশি মন
ভাবছো মিছে নিরব মনে
ফুলার রোডে বোকা বনে!
বসে আছো হাত গালে রেখে
মনের মধ্যে কষ্ট মেখে।
আচ্ছা তুমি আজব বোকা
কেন তুমি ভাবছো – একা?
মিষ্টি হাওয়ার গন্ধ পাও?
টুং টাং টুং শোন না তাও?

ঝেরে ফেল সব, ছুড়ে ফেল
দাড়াও উঠে, কথা বলো
শুনবে তখন বলছে কেউ
ফিসফিসিয়ে- ” আস্তে চলো”।
পা ফেলে তুমি হাটবে
হালকা হাওয়ার ধাক্কা খাবে
গাছের দিকে তাকিয়ে দেখো
কাঠ গোলাপটা ফুটবে
হাটবে তুমি হাটবে

রুক্ষ শীতে ওভার কোটে
হাত রেখে ঠিক পকেটে
সামনে পানে হাটবে
নি: স্ব তুমি জেনে ও কেউ,
জেন ভালবাসবে
সামনে পানে হাটবে
জোনাকি তোমার পথ সাজাবে
চাঁদের আলো পথ দেখাবে
তোমার ” আমি” পাশেই আছে
পাশে চিরকাল থাকবে।
যখন সবাই ফেলবে ছুড়ে
তখন ও ভালবাসবে।

লেখক: মাহফুজা মাহদী

SHARE