উপাচার্যের দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা আন্দোলনে থাকলেও ভিসিকে সমর্থন দিয়েছেন অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম। অভিযোগ উঠেছে পুরস্কার হিসেবে তার মেয়ে সাবিহা সালমা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন।

গত ৩০জুন অনুষ্ঠিত অনলাইন সিন্ডিকেট সভায় জার্নালিজম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগে প্রভাষক পদে এই নিয়োগ চুড়ান্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আমির হোসেন নিয়োগের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই অধ্যাপকের মেয়ে সালমা সাবিহা কম যোগ্যতা নিয়ে (অনার্সে ৩.৫৬ এবং মাস্টার্সে ৩.৬৭) শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ১৬ জন আবেদনকারীর মধ্যে কয়েকজনের অনার্স-মাস্টার্স রেজাল্ট ছিলো ৩.৮২, ৩.৮৮; ৩.৮২, ৩.৮৫ ও ৩.৭২, ৩.৭২। বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্র শিক্ষকবৃন্দ এমন ন্যূনতম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় বিস্মিত হয়েছেন।
ভিসি বিরোধী আন্দোলনরত শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, ‘গত শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক সোহেল রানাকে ৪ ভোটে পরাজিত করার ক্ষেত্রে অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম এর ভূমিকা ছিল অন্যতম। তিনি আওয়ামী প্রার্থী অধ্যাপক এ.এ. মামুনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তাকে জয়ী করায় দূর্নীতিবাজ প্রশাসন থেকে পুরস্কৃত হলেন।’
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম বিএনপিপন্থী প্রভাবশালী শিক্ষক নেতা। উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে সমর্থন না দেয়ায় বিএনপির দুইটি গ্রুপের তৈরী হয়। তিনি বর্তমানে একটি অংশের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। ভিসি বিরোধী আন্দোলন ও গত শিক্ষক নির্বাচনে নিজ দলের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে সমর্থন করেন।

SHARE