তিতলীর বরিশাল

কফির ধোঁয়া ওড়া স্নিগ্ধ এ সকাল
নদীর তীর ঘেষা শহুরে বরিশাল
নীল আকাশে ডানা মেলে ভোরের পাখিরা
সুগন্ধি হাওয়া জানায় ফুটেছে ফুলেরা
এক্কা দোক্কা পা ফেলে নরম ঘাস ফুলে । 
চলো ঘুরে আসি বাংলার রাণী বরিশালে।

বসে করি গল্প, জমবে আড্ডা ঘাসে
ভেলস পার্কের মাঠে,তার আশেপাশে
চিনে বাদাম ফুচকা, ঝালে ভরা চটপটি
দিয়ে যাবে হাতে কেউ জল এক্ষণি।
এক্কা দোক্কা পা ফেলে নরম ঘাসফুলে
চলো হারাই নদীর শহর বরিশালে।

নৌকার দুলুনিতে পরবো ঘুমিয়ে
বৃষ্টির ফোটা জলে দেবে জাগিয়ে
দৌড়িয়ে ঢুকবো নৌকার ছাউনিতে
ইলিশের বারবিকিউ হবে গরম ভাতে
এক্কা দোক্কা ভাসি ধানসিড়ির জলে
চলো সবাই জীবনানন্দের বরিশালে
সারি বাঁধা ঝাউবন,শ্বেত রঙা বেঞ্চিতে
পার্কের আড্ডায় জমে কথা অল্পতে
সারাদিন ঘুরে ফিরে বিকালের স্নাক্সে
ঢু মেরে ঢুকে যাবো রিভার ক্যাফেতে
এক্কা দোক্কা পা ফেলে সকলে
চল জ্ঞা নের নগরী বরিশালে

দেখা হবে সুফিয়া, কামিনী রায়দের
জানিনা কি শিহরন জাগে আমাদের!
আড্ডার ফাঁকে যদি আসে সেই সাংবাদিক-
বরিশালের বড় ভাই ইত্তেফাকের মানিক
হাসিখুশি আড্ডায় শীতল সমীরণে
সূর- মূর্ছনায় মুকুন্দ দার গানে

হেমন্তি ধানের পাকা গন্ধে নামবে গোধুলি
পাখিরা তাই ফিরে যাবে ফুটবে কামিনী কলি
আজানের সুরে মিলে যাবে আকাশ বাতাস
সোডিয়ামের স্নিগ্ধ আলোয় কুসুম কুমারী দাস
স্টেডিয়ামের মাঠে তখন উড়বে হাজার ফানুস
মিরাজ তখন আসবে হেসে, সফলতার মানুষ।

সারা শহর আতশবাজি, উৎসবে হইচই
মিলেমিশে একাকার আমরা ভাইভাই
বুকভরা ভালবাসা আর বিদ্যার নহরে
অপূর্ব অনুভূতির বরিশাল শহরে।

লেখক: মাহফুজা মাহদী

SHARE